স্থানীয় সূত্র ও পুলিশি নথি অনুযায়ী, এরশাদ মাহমুদের বিরুদ্ধে পাহাড় সমান অভিযোগ রয়েছে। তার নামে থাকা অন্তত এক ডজন মামলার মধ্যে রয়েছে:হত্যাকাণ্ড ও হত্যাচেষ্টা ব্যাপক আকারে ভূমি দখল ও জবরদখল চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজি এলাকায় অবৈধ অস্ত্র প্রদর্শন ও প্রভাব বিস্তার দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় তিনি ৯ নং ওয়ার্ড এলাকায় নিজস্ব বাহিনী গড়ে তুলে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাত থেকে বাঁচতে এরশাদ মাহমুদ বর্তমানে চট্টগ্রামের আত্মগোপন করে আছেন। সেখানে তিনি পরিচিত ও আত্মীয়দের সহায়তায় নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার চেষ্টা করছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট থানা বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো কর্মকর্তা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে মুখ খোলেননি।
এরশাদ মাহমুদ গ্রেপ্তার না হওয়ায় তার পুরনো বিচরণ এলাকায় এখনো থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর আশঙ্কা, বাইরে থাকলে তিনি আবারও সঙ্ঘবদ্ধ হয়ে প্রতিশোধমূলক কর্মকাণ্ড চালাতে পারেন।”আমরা আতঙ্কে আছি। এরশাদ মাহমুদের মতো চিহ্নিত সন্ত্রাসীকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা না হলে সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে না।” এলাকাবাসীর জোর দাবি, অবিলম্বে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে এই দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক।
এবিডি.কম/শিরিনা